[ad_1]

পেস তারকা তাসকিন আহমেদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় নেট দুনিয়া। ফোনে ডেকে এনে মারধর ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। অভিযোগকারী সিফাতুর রহমান সৌরভ নামের এক তরুণ দাবি করেছেন, তাসকিন তাকে ফোনে ডেকে মিরপুরে নিয়ে কিল-ঘুষি মারার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। এই দাবিকে ‘পুরোটাই মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তাসকিন। 

মিরপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মারধরের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করছি। জিডিতে বলা হয়েছে সনি সিনেমা হলের সামনে রোববার রাতে এই ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী সিফাতুর রহমান সৌরভকে শৈশবের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে তাসকিন আহমেদ বলেছেন, বন্ধুর সঙ্গে মারামারি নিয়ে অনেক কিছু ঘটে যাচ্ছে। গুজবে কান না দিতেও আহবান জানিয়েছেন তিনি। 

সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তাসকিন বলেন, সবাইকে অনুরোধ, গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না। আমি আমার ছোটবেলার বন্ধুর গায়ে হাত তুলেছি- এমন একটা ঘটনায় অনেক কিছু ঘটে যাচ্ছে। আমি মনে করি, এমন গুজবে কান দিয়ে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না এবং অন্য কাউকেও বিভ্রান্ত করবেন না। 

তিনি আরও বলেন, এটা আমার, আমার পরিবার এবং আমার বন্ধুর জন্য সম্মানজনক না। যা ঘটেছে, সেজন্য বন্ধু ও আমার মধ্যে কথা হয়েছে। এটা যে পর্যায়ে গেছে, তা কোনোভাবেই এমন হওয়ার কথা নয়। শুধু একটা কথাই বলতে চাই- বিষয়টা অন্য, বাস্তবতা ভিন্ন। (মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত)। আশা করি সত্যের পক্ষেই থাকবেন, সত্য কখনো মিথ্যা হয় না। 

এই পোস্টের আগে তাসকিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি বাসা বদলের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। কাউকে মারিনি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে বিব্রত করতে এই জিডি করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, আমার বন্ধু রসি নামে একজনকে ওরা (সৌরভরা) মারধর করেছে। আমি শুধু মোহাম্মদপুর থানার ওসিকে ফোন করে জানিয়েছিলাম। এরপর পুলিশ গিয়ে ওদের খুঁজেছে। এরপর ওরা উল্টো আমার নামে জিডি করেছে। ওর খালা আমার বাবাকে ফোন দিয়ে বিচার দিয়েছিলো। আমার বাবা কিছুই জানতেন না। পরে শুনে বলেন, ওরা তো ছোটবেলার বন্ধু, এসব ভুল বোঝাবুঝি ঠিক হয়ে যাবে। আসলে আমি ওদের সঙ্গে গত কয়েক মাস মিশি না, তাই ওর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। 

এদিকে বিসিবিও বিষয়টি আমলে নিয়েছে। বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, মিডিয়াতে খবরটি দেখে বিসিবির শীর্ষ কর্মকর্তারা বিষয়টি খেয়াল করেছেন। ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এটি সত্যি হলে খুবই দুঃখজনক। একজন আইকন প্লেয়ারের এমন ঘটনায় জড়ানো ঠিক নয়। 

সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টি–টোয়েন্টিতে খেলার পর তাসকিন পুনর্বাসনের জন্য বিশ্রামে ছিলেন। কিছুদিন আগেই গোড়ালির চোটের চিকিৎসা শেষে ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।

[ad_2]

Source link

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version