[ad_1]
এশিয়া কাপের অঘোষিত সেমিফাইনালে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। টাইগারদের লক্ষ্য ছিলো, কম রানে প্রতিপক্ষকে আটকে দেয়া। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই, পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহ থেকে ঠেকিয়ে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশের বোলাররা। ফাইনালে যেতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ১৩৬ রান।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।
ইনিংসের প্রথম দুই ওভারেই পাকিস্তানের দুই উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের করা প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে রিশাদ হোসেনের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাহিবজাদা ফারহান। যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাসকিনের শততম উইকেট।
দ্বিতীয় ওভারে আবারও উইকেট হারায় পাকিস্তান। শেখ মেহেদি হাসানের বলে সেই রিশাদের হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাইম আইয়ুব। চলমান এশিয়া কাপে যা তার চতুর্থ ‘শূন্য’ রানে আউট হওয়ার ঘটনা। তৃতীয় উইকেটে বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে পাকিস্তান। ২৪ রান যোগ করেন ফখর জামান ও সালমান আলি আগা।
প্রথম দুইজনের ক্যাচ নেওয়া রিশাদ এরপর আঘাত হানেন বল হাতে। দলীয় সপ্তম ওভারে ফখর জামানকে (২০ বলে ১৩) তানজিম হাসানের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। এরপর হুসাইন তালাতকেও ফেরান তিনি। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তান। এরপর বিপদ সামালের চেষ্টা করলেও অধিনায়ক সালমান আলি আগাও টিকতে পারেননি মোস্তাফিজুর রহমানের সামনে। দলীয় ৪৯ রানে ২৩ বলে ১৯ রান করে তিনি ফিরলে মহাবিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২৭ রান করা পাকিস্তান ১০ ওভারে করে ৪৬ রান। ৪৯ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তান দলীয় ৭১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায়। ১৩ বলে ১৯ রান করা শাহিন আফ্রিদিকে ফেরান তাসকিন। তার দেখানো পথে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন মোহাম্মদ হারিস আর মোহাম্মদ নওয়াজও। হারিসের ব্যাটে ২৩ বলে ৩১ ও নওয়াজের ব্যাটে আসে ১৫ বলে ২৫ রান। ৯ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থেকে অবদান রাখেন ফাহিম আশরাফও। তাতে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় পাকিস্তান।
বল হাতে বাংলাদেশের তাসকিন ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় তুলে নেন ৩ উইকেট। ৪ ওভার বল করে ২ উইকেট নেওয়া রিশাদ খরচ করেন মাত্র ১৮ রান। তাসকিনের সমান ওভার ও রান খরচ করে ২ উইকেট নেন শেখ মেহেদি হাসান। বাকি উইকেটটি মোস্তাফিজের।
বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী (অধিনায়ক), শামীম হোসেন, নুরুল হাসান, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, তানজিম হাসান, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান একাদশ: শাহেবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, সালমান আগা (অধিনায়ক), হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।
[ad_2]
Source link

