[ad_1]
টেস্ট ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত মাত্র ৮৪ জন ক্রিকেটার ১০০ টেস্ট খেলার কীর্তি গড়তে পেরেছেন। মুশফিকুর রহিম তাদের একজন।
এছাড়া এই কিংবদন্তিদের মধ্যে কেবল ১০ জন ব্যাটার শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়তে পেরেছেন। আজ মুশফিক গড়লেন তাও।
অবশ্য মুশফিকুর মাইলফলকের দেখা পেতে পারতেন বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলেই। তবে, তা হয়নি। ১ রানের অপেক্ষায় থাকা মুশফিকুর রহিম আজ দ্বিতীয় দিনের সকালে নেমে গ্যালারিতে দর্শকদের প্রথম ওভারও অপেক্ষায় রাখেন। দ্বিতীয় ওভারে জর্ডান নেইলের বল লেগ স্টাম্পে ঠেলে দুহাত উঁচিয়ে ধরেন।
দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলে এমনিতেই ইতিহাস গড়া হয়ে গেছে, সেই উপলক্ষ সেঞ্চুরি দিয়ে রাঙিয়ে ঢুকে গেলেন এমন এক এলিট ক্লাবে যেখানে ১৪৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে তার আগে ছিলেন কেবল ১০ জন।
শততম টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ডের কাউড্রাই। ১৯৬৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে ১০৪ রানের ইনিংস আসে। শততম টেস্টে দ্বিতীয়বার সেঞ্চুরি দেখতে ক্রিকেট বিশ্বকে ২১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এশিয়ার প্রথম ব্যাটার হিসেবে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানের জাভেদ মিঁয়াদাদ ভারতের বিপক্ষে ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।
পরের বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের গর্ডন গ্রিনিজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪৯ রানের ইনিংস খেলেন। এর ১০ বছর পর ইংল্যান্ডের এলিস জেমস স্টুয়ার্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেন ১০৫ রানের ইনিংস। ইনজামাম উল হক ২০০৫ সালে ভারতের বিপক্ষে শততম টেস্টে ১৮৪ রান করেন।
রিকি পন্টিং সিডনিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শততম টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন পরের বছর। প্রথম ইনিংসে ১২০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৪৩ রান করেন তিনি।
২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ (১৩১) ও ২০১৭ সালে হাশিম আমলা (১৩৪) শততম টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পান।
১০০তম টেস্টে সর্বাধিক রানের ইনিংসটা খেলেছেন জো রুট। চেন্নাইয়ের স্পিন বান্ধব কন্ডিশনে তার ব্যাট থেকে ২১৮ রানের ইনিংস আসে।
শততম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির দ্বিতীয় কীর্তি ডেভিড ওয়ার্নারের। তিনি ২০২২ সালে মেলবোর্নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পুরোপুরি ২০০ রান করেছিলেন।
[ad_2]
Source link

