[ad_1]
দাসুন শানাকার হাফ-সেঞ্চুরিতে এশিয়া কাপে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৬৯ রানের টার্গেট দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান করে লংকানরা। ৩৭ বলে অনবদ্য ৬৪ রান করেন শানাকা।
দুবাইয়ে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে ৫ ওভারে ৪৪ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হন লঙ্কান দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশাল মেন্ডিস। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৫ বলে ২২ রান করা নিশাঙ্কাকে শিকার করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
তাসকিনের প্রথম আঘাতের পর বাংলাদেশকে জোড়া উইকেট উপহার দেন স্পিনার মাহেদি হাসান। ১টি চার ৩টি ছক্কায় ২৫ বলে ৩৪ রান করা কুশাল মেন্ডিসকে এবং কামিল মিশারাকে ৫ রানে বিদায় দেন মাহেদি।
৬৫ রানে ৩ উইকেট পতনের পর চতুর্থ উইকেটে ২৭ বলে ৩২ রানের জুটি গড়েন কুশাল পেরেরা ও দাসুন শানাকা। উইকেটে সেট হওয়া এই জুটি ভাঙ্গেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। কুশাল পেরেরাকে ১৬ রানে আউট করেন ফিজ।
দলীয় ৯৭ রানে কুশাল পেরেরা ফেরার পর অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কাকে নিয়ে দ্রুত রান তুলেন দাসুন শানাকা। তাদের ২৭ বলে ৫৭ রানের জুটিতে ১৮ ওভারে ১৫৪ রান তুলে শ্রীলঙ্কা।
১৯তম ওভারে মাত্র ৫ রানে ৩ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মুস্তাফিজের করা ওভারের প্রথম বলে ১২ বলে ২১ রান করে রান আউট হন আসালঙ্কা। এরপর চতুর্থ বলে কামিন্দু মেন্ডিসকে ১ রানে ও শেষ ডেলিভারিতে হাসারাঙ্গা ডি সিলভাকে ২ রানে শিকার করেন ফিজ।
ইনিংসের শেষ ওভারে তাসকিনের প্রথম বলে বাউন্ডারি ও শেষ বলে ওভার বাউন্ডারি মেরে ১০ রান তুলে শ্রীলংকাকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন শানাকা। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান করে লংকানরা। ৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৩৭ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন শানাকা।
বাংলাদেশের মুস্তাফিজ ২০ রানে ৩ উইকেট নেন। এতে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের তালিকায় সাকিব আল হাসানকে স্পর্শ করলেন মুস্তাফিজ। সাকিব ১২৯ ম্যাচে এবং মুস্তাফিজ ১১৭ ম্যাচে সমান ১৪৯টি উইকেট নিয়েছেন।
এছাড়া মাহেদি ২৫ রানে ২টি ও তাসকিন ৩৭ রানে ১টি উইকেট নেন।
[ad_2]
Source link

