[ad_1]
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই অন্যরকম উত্তেজনা, অন্যরকম এক রসায়ন! ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট মানেই বাড়তি উন্মাদনা। তার ওপর কিছুদিন আগে দুই চির শত্রু একে অপরের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ আর পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনইয়ান-উন-মারসুস’। সেই সংঘাতে পর রোববার রাতে দুবাইয়ের মরুভূমিতে ২২ গজে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ।
এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রাখা হয়, যাতে করে এই দলের ফাইনালে মুখোমুখি হবার একটি সম্ভাবনা থাকে। এতে আয়োজকদের পকেট একটি ভারী হয়। গ্রুপের অন্য দু’দল ওমান ও আমিরাত। তবু এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবার সুযোগ নেই সূর্যকুমার যাদব এবং সলমন আঘাদের।
কাগজে-কলমে শক্তিতে অনেক এগিয়ে ভারত। নিকট অতীতের সব রেকর্ডও ভারতের পক্ষ। কিন্তু এই দুই দলের খেলা কখনও হিসাবে কষে হয়। বরং থাকে অনেক কিছু ঘটনার সম্ভাবনাও। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারত এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তবে ২০ ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য কোনও দলকে হেলাফেলা করা যায় না।
বিশেষ করে পাকিস্তানকে তো নয়ই। নিজেদের দিনে যে কোনও দলকে হারাতে পারেন আঘারা। তার উপর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে খাতা-কলমের হিসাব চলে না কোনও দিনই। ওমানকে দাপটের সঙ্গে হারিয়েছে পাকিস্তান। আমিরশাহির বিরুদ্ধে আরও দাপুটে জয় পেয়েছে ভারত।
পাকিস্তানের ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকলেও ভারতের পারফরম্যান্স ছিল প্রায় নিখুঁত। ভারতীয় দলের সবাই ফর্মে রয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মুখোমুখি লড়াইয়েও ১০-৩ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। তবু ক্রিকেটপ্রেমীদের আকর্ষণের একাধিক দ্বৈরথের সম্ভাবনা রয়েছে।
কিন্তু ভারতের অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন এই পাকিস্তান দুর্বল। ভারতের বি টিমও সালমান আঘার পাকিস্তানকে হারিয়ে দেবে হাসতে হাসতে। ১৯৯০-৯১ সালের এশিয়া কাপ জয়ী দলের সদস্য অতুল ওয়াসন এমনটাই মনে করেন। বলছেন, ‘ভারতের বি দলও এই পাকিস্তান দলকে হারিয়ে দেবে।
কারণ হিসাবে ওয়াসন বলেন, পরিস্থিতি এখন বদলে গিয়েছে। আমরা যখন নব্বই দশকে খেলতাম, তখন পাকিস্তান খুবই ভাল দল ছিল। কিন্তু এখন বুট যে অন্য পায়ে। আমি রোহিত (শর্মা) এবং বিরাটের (কোহলি) অভাব বোধ করব না। কারণ তাহলে সুনীল গাভাস্কার ও কপিল দেবকেও মিস করতে শুরু করে দেব।
ওয়াসনের মতো কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তও মনে করেন এই পাকিস্তান দলে রক্ত স্বল্পতা রয়েছে। শ্রীকান্ত বলেন, পাকিস্তান ব্যাটে-বলে অতি সাধারণ দল। এমনকি শাহিন আফ্রিদিও ভয়ঙ্কর নয়। ওরা ওমানকে হারিয়েছে, যাদের বয়স ৩৪-৩৫। দলে আঙ্কেল ভর্তি। তাই ওদের হারানো বড় বিষয় না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লড়াই মূলত পাকিস্তানের বোলিংয়ের সঙ্গে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের। অভিষেক শর্মা-শুভমন গিল জুটিকে শুরুতেই সামলাতে হবে শাহিন আফ্রিদির বল। মিডল অর্ডারে সূর্যকুমারের সঙ্গে লড়াই পাক বাঁ হাতি স্পিনার সুফিয়ান মুকিমের। আবার জসপ্রীত বুমরাহ, কুলদীপ যাদবদের সামলাতে হবে সাইম আইয়ুব, মোহম্মদ হ্যারিসদের চ্যালেঞ্জ। সব মিলিয়ে কঠিন এক লড়াইয়ের সম্ভাবনাই বেশি।
[ad_2]
Source link

