[ad_1]
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৩৬ রানের কম লক্ষ্য তাড়ায় ব্যর্থতার রেকর্ড খুবই কম। মাত্র দুইটি। বাংলাদেশ এবার সে রেকর্ডও ভাঙলো! পাকিস্তানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পাকিস্তানি ব্যাটারদের ‘জীবন’ দিয়েছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। শাহীন আফ্রিদি থেকে শুরু করে মোহাম্মদ নাওয়াজ প্রত্যেকেই একাধিক সুযোগ পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ের ম্যাচে ব্যবহৃত পিচ তুলনামূলক স্লো এবং টার্নিং বলা হলেও, বাংলাদেশের কুৎসিত ব্যাটিং প্রদর্শনীর খুব একটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা সম্ভবত মিলবে না। কিন্তু অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতির মতো হাস্যকর ও অদ্ভুত অজুহাত দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সাইড স্ট্রেইনের চোটে পড়েছিলেন লিটন দাস। এরপর তিনি খেলতে পারেননি পাকিস্তানের বিপক্ষেও। এসবকেই বাংলাদেশের ম্যাচ হারের কারণ মনে করেন কোচ সিমন্স।
সিমন্স বলেন, লিটন যে ফর্মে ছিলো, সেটা আমাদের জন্য খুবই জরুরি। অন্য দলের মতো আমাদের সেরকম গভীরতা নেই।
টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে সুযোগ পেয়েই নিজের সামর্থ্য দেখানো সাইফ হাসানের প্রশংসা করে বাংলাদেশের এই ক্যারিবীয় কোচ বলেন, (সাইফ হাসান) অবশ্যই, সে এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক ছিলো আমাদের জন্য। এর সঙ্গে বোলারদের ফর্মটাও ইতিবাচক ছিলো। টুর্নামেন্টজুড়ে বোলাররা দুর্দান্ত ছিলো।
ব্যাটারদের স্ট্রাইকরেট নিয়ে সিমন্স বলেন, আমরা যত বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবো তত দ্রুত গ্যাপটা কমে আসবে। তখন ছেলেরা জানবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কীভাবে কী করতে হবে।
এদিকে পাকিস্তানকে ১৩৫ রানে আটকে দিয়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এর আগের ম্যাচে ভারতকে ১৬৮ রানে বেধে ফেলেও হারতে হয় টাইগারদের। বাংলাদেশের পরিকল্পনা থাকে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে অন্তত ৪০ রান। সর্বোচ্চ ৬০ রানের লক্ষ্য করে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে তেমনটা না হওয়াতেই বাংলাদেশ ম্যাচে পিছিয়ে গেছে বলে ধারণা সিমন্সের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৩৫/৮ (ফারহান ৪, ফাখার ১৩, সাইম ০, সালমান ১৯, তালাত ৩, হারিস ৩১, আফ্রিদি ১৯, নাওয়াজ ২৫, ফাহিম ১৪*, রউফ ৩*; তাসকিন ৪-০-২৮-৩, মেহেদি ৪-০-২৮-২, তানজিম ৪-০-২৮-০, মুস্তাফিজ ৪-০-৩৩-১, রিশাদ ৪-০-১৮-২)।
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১২৪/৯ (সাইফ ১৮, পারভেজ ০, হৃদয় ৫, মেহেদি ১১, সোহান ১৬, শামীম ৩০, জাকের ৫, তানজিম ১০, রিশাদ ১৬*, তাসকিন ৪, মুস্তাফিজ ৬*; আফ্রিদি ৪-০-১৭-৩, ফাহিম ২-০-১৮-০, রউফ ৪-০-৩৩-৩, আবরার ৩-০-২৩-০, নাওয়াজ ৩-০-১৪-১, সাইম ৪-০-১৬-২)।
ফল: পাকিস্তান ১১ রানে জয়ী।
[ad_2]
Source link

